বর্তমান সময়ে অনিয়মিত জীবনযাপন এবং অত্যাধিক মানসিক চাপের কারণে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বা ফার্টিলিটি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলে স্পার্মের মান ও গতি বহুগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। আপনি যদি বাবা হওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে এই ৬টি বিজ্ঞান-সম্মত পরামর্শ আপনার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে:
১. পর্যাপ্ত ব্যায়াম: নিয়মিত শারীরিক কসরত টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা সরাসরি স্পার্মের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
২. ভিটামিন সি ও ডি: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার এবং সূর্যের আলো বা সাপ্লিমেন্ট থেকে পাওয়া ভিটামিন ডি স্পার্মের গতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক।
৩. মানসিক চাপ মুক্ত থাকা: দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস কর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা প্রজনন ক্ষমতার শত্রু। তাই নিয়মিত যোগব্যায়াম বা মেডিটেশন জরুরি।
৪. জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার: গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে জিঙ্কের অভাব হলে স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। তাই খাদ্যতালিকায় কুমড়োর বীজ, বাদাম বা মাংস রাখুন।
৫. পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে।
৬. ক্ষতিকর অভ্যাস ত্যাগ: ধূমপান এবং মদ্যপান স্পার্মের ডিএনএ-র ক্ষতি করে, তাই সুস্থ সন্তানের জন্য এই অভ্যাসগুলো আজই বর্জন করুন।