নন্দীগ্রামে আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক আবহাওয়া। এবার ইস্যু— ভগবান শ্রীরামের মূর্তি ভাঙচুর। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে একটি মন্দিরে রাম-মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকারকে ‘হিন্দু বিরোধী’ বলে তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। স্থানীয় সূত্রে খবর, নন্দীগ্রামের একটি মন্দিরে রাখা শ্রীরামের মূর্তিটি সকালে ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এবং বিজেপি কর্মীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, এই ন্যাক্কারজনক কাজ কেবল ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়, বরং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির পরিচয়। শুভেন্দু অধিকারী টুইট এবং সংবাদমাধ্যমের সামনে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণ রাজনীতির জেরেই আজ বাংলার হিন্দুরা সুরক্ষিত নয়। যারা জয় শ্রীরাম ধ্বনি সহ্য করতে পারে না, তাদের মদতেই এই ভাঙচুর চালানো হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, এই ঘটনার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে এবং দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ওই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে অপরাধীদের শনাক্ত করার জন্য। তবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, বিজেপি অশান্তি পাকানোর জন্য নিজেরাই এই কাণ্ড ঘটিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
Home
OTHER NEWS
‘হিন্দু বিরোধী সরকার’! রাম-মূর্তি অবমাননায় ফুঁসছে নন্দীগ্রাম, বড় বিপাকে রাজ্য প্রশাসন?