বিজেপি সদর দপ্তরে চরম নাটক! শমীকের সামনেই ‘প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল বয়কট’ স্লোগান

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজার আগেই অন্তর্কলহে জেরবার বঙ্গ বিজেপি। প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তোষ এবার আছড়ে পড়ল খোদ রাজ্য সদর দপ্তরে। শুক্রবার মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে পৌঁছানো মাত্রই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান এবং ‘বয়কট প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল’ পোস্টারের মুখে পড়লেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। দলের একাংশের কর্মীদের এই নজিরবিহীন বিক্ষোভে রীতিমতো অস্বস্তিতে পদ্ম শিবির। বিশেষ করে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ভাই বিশ্বজিৎ সরকারের উপস্থিতি এই বিক্ষোভকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।

বিক্ষোভের নেপথ্যে প্রার্থী-অসন্তোষ

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজার আগেই অন্তর্কলহে জেরবার বঙ্গ বিজেপি। প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তোষ এবার আছড়ে পড়ল খোদ রাজ্য সদর দপ্তরে। শুক্রবার মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে পৌঁছানো মাত্রই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান এবং ‘বয়কট প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল’ পোস্টারের মুখে পড়লেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। দলের একাংশের কর্মীদের এই নজিরবিহীন বিক্ষোভে রীতিমতো অস্বস্তিতে পদ্ম শিবির। বিশেষ করে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ভাই বিশ্বজিৎ সরকারের উপস্থিতি এই বিক্ষোভকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।

বিক্ষোভের নেপথ্যে প্রার্থী-অসন্তোষ বিজেপি সূত্রের খবর, আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের নাম নিয়ে দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। কর্মীদের অভিযোগ, যারা দুর্দিনে দলের পাশে থাকেন না, তাঁদের কেন বারবার গুরুত্ব দেওয়া হবে? এদিন শমীক ভট্টাচার্য দপ্তরে প্রবেশ করতেই তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কর্মীরা। স্লোগান ওঠে, “প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে মানছি না, মানব না।” কর্মীদের দাবি, ভূমিপুত্র বা একনিষ্ঠ কর্মীদের বঞ্চিত করে কেন নির্দিষ্ট কিছু মুখকেই বারবার সামনে আনা হচ্ছে?

অভিজিতের দাদার হুঙ্কার এদিনের বিক্ষোভে সবথেকে উল্লেখযোগ্য মুখ ছিলেন বিশ্বজিৎ সরকার। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ভাই তিনি। বিশ্বজিতের অভিযোগ, যাঁরা দলের জন্য প্রাণ দিলেন, তাঁদের পরিবার আজ অবহেলিত। তিনি স্পষ্ট জানান, দলের প্রার্থী চয়নে স্বচ্ছতা নেই এবং কর্মীরা এর যোগ্য জবাব দেবে। বিশ্বজিতের এই সরাসরি বিরোধিতা রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

অস্বস্তিতে রাজ্য নেতৃত্ব শমীক ভট্টাচার্য বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, বড় দলে মতভেদ থাকতে পারে, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে মেটানো হবে। কিন্তু নির্বাচনের মুখে এই পর্যায়ের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং জনসমক্ষে প্রার্থী বিরোধী স্লোগান বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

র ক্ষোভ ছিল। কর্মীদের অভিযোগ, যারা দুর্দিনে দলের পাশে থাকেন না, তাঁদের কেন বারবার গুরুত্ব দেওয়া হবে? এদিন শমীক ভট্টাচার্য দপ্তরে প্রবেশ করতেই তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কর্মীরা। স্লোগান ওঠে, “প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে মানছি না, মানব না।” কর্মীদের দাবি, ভূমিপুত্র বা একনিষ্ঠ কর্মীদের বঞ্চিত করে কেন নির্দিষ্ট কিছু মুখকেই বারবার সামনে আনা হচ্ছে?

অভিজিতের দাদার হুঙ্কার এদিনের বিক্ষোভে সবথেকে উল্লেখযোগ্য মুখ ছিলেন বিশ্বজিৎ সরকার। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ভাই তিনি। বিশ্বজিতের অভিযোগ, যাঁরা দলের জন্য প্রাণ দিলেন, তাঁদের পরিবার আজ অবহেলিত। তিনি স্পষ্ট জানান, দলের প্রার্থী চয়নে স্বচ্ছতা নেই এবং কর্মীরা এর যোগ্য জবাব দেবে। বিশ্বজিতের এই সরাসরি বিরোধিতা রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

অস্বস্তিতে রাজ্য নেতৃত্ব শমীক ভট্টাচার্য বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, বড় দলে মতভেদ থাকতে পারে, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে মেটানো হবে। কিন্তু নির্বাচনের মুখে এই পর্যায়ের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং জনসমক্ষে প্রার্থী বিরোধী স্লোগান বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজার আগেই অন্তর্কলহে জেরবার বঙ্গ বিজেপি। প্রার্থী তালিকা নিয়ে অসন্তোষ এবার আছড়ে পড়ল খোদ রাজ্য সদর দপ্তরে। শুক্রবার মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে পৌঁছানো মাত্রই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান এবং ‘বয়কট প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল’ পোস্টারের মুখে পড়লেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। দলের একাংশের কর্মীদের এই নজিরবিহীন বিক্ষোভে রীতিমতো অস্বস্তিতে পদ্ম শিবির। বিশেষ করে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ভাই বিশ্বজিৎ সরকারের উপস্থিতি এই বিক্ষোভকে অন্য মাত্রা দিয়েছে।

বিক্ষোভের নেপথ্যে প্রার্থী-অসন্তোষ বিজেপি সূত্রের খবর, আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের নাম নিয়ে দলের নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ ছিল। কর্মীদের অভিযোগ, যারা দুর্দিনে দলের পাশে থাকেন না, তাঁদের কেন বারবার গুরুত্ব দেওয়া হবে? এদিন শমীক ভট্টাচার্য দপ্তরে প্রবেশ করতেই তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কর্মীরা। স্লোগান ওঠে, “প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে মানছি না, মানব না।” কর্মীদের দাবি, ভূমিপুত্র বা একনিষ্ঠ কর্মীদের বঞ্চিত করে কেন নির্দিষ্ট কিছু মুখকেই বারবার সামনে আনা হচ্ছে?

অভিজিতের দাদার হুঙ্কার এদিনের বিক্ষোভে সবথেকে উল্লেখযোগ্য মুখ ছিলেন বিশ্বজিৎ সরকার। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের পর কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ভাই তিনি। বিশ্বজিতের অভিযোগ, যাঁরা দলের জন্য প্রাণ দিলেন, তাঁদের পরিবার আজ অবহেলিত। তিনি স্পষ্ট জানান, দলের প্রার্থী চয়নে স্বচ্ছতা নেই এবং কর্মীরা এর যোগ্য জবাব দেবে। বিশ্বজিতের এই সরাসরি বিরোধিতা রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।

অস্বস্তিতে রাজ্য নেতৃত্ব শমীক ভট্টাচার্য বিক্ষোভকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, বড় দলে মতভেদ থাকতে পারে, তবে তা আলোচনার মাধ্যমে মেটানো হবে। কিন্তু নির্বাচনের মুখে এই পর্যায়ের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং জনসমক্ষে প্রার্থী বিরোধী স্লোগান বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে বড়সড় ধাক্কা দিতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy