রাজ্যে যখন রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, ঠিক তখনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনলেন শহরের এক বিশিষ্ট রেস্তোরাঁ মালিক। তাঁর দাবি, বাজারে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের কোনো প্রকৃত অভাব নেই। সংকটের যে ছবি দেখানো হচ্ছে, তার নেপথ্যে কাজ করছে এক শক্তিশালী ‘কালোবাজারি’ চক্র। যারা কৃত্রিমভাবে আকাল তৈরি করে চড়া দামে গ্যাস বিক্রি করছে।
ভুক্তভোগী ওই রেস্তোরাঁ মালিকের অভিযোগ, ডিস্ট্রিবিউটরদের একাংশ এবং অসাধু ব্যবসায়ীরা যোগসাজশ করে সিলিন্ডার মজুত করে রাখছেন। যার ফলে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাচ্ছে। তিনি বিস্ফোরকভাবে জানিয়েছেন, “নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় বেশি টাকা দিলেই মুহূর্তের মধ্যে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে, অথচ বৈধ বুকিং করলে বলা হচ্ছে স্টকে মাল নেই।” এই পরিস্থিতিতে ছোট ও মাঝারি রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ হওয়ার মুখে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে খাবারের দামের ওপর, যার বোঝা বইতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের।
ইতিমধ্যেই হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিকদের সংগঠন প্রশাসনের কাছে এই অসাধু চক্র দমনের আর্জি জানিয়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, যদি দ্রুত এই কালোবাজারি বন্ধ না হয়, তবে উৎসবের মরসুমের আগে খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। গ্যাস সিলিন্ডারের বেআইনি রিফিলিং এবং ঘরোয়া সিলিন্ডার বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের প্রবণতাও এই কৃত্রিম সংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। প্রশাসন কি এই চক্র ভাঙতে পারবে? এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।