ক্যান্সার মানেই আতঙ্ক, আর ফুসফুসের ক্যান্সার বা ‘লাং ক্যান্সার’ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম প্রধান মরণব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রোগটি ধরা পড়ে একেবারে শেষ পর্যায়ে, যখন চিকিৎসা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, শরীর আগেভাগেই কিছু বিশেষ সংকেত দেয়, যা আমরা সাধারণ কাশি বা ক্লান্তি ভেবে এড়িয়ে যাই। সময় থাকতে সতর্ক হলে এই মরণব্যাধি থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
গবেষকদের মতে, ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণ হলো দীর্ঘস্থায়ী কাশি যা তিন সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে চলে এবং সাধারণ ওষুধে সারে না। কাশির সঙ্গে রক্ত আসা বা কফ গাঢ় হওয়া অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। দ্বিতীয়ত, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা। যদি দেখেন বুকের খাঁচায় বা কাঁধে একটানা ব্যথা হচ্ছে, যা হাসলে বা জোরে শ্বাস নিলে বেড়ে যায়, তবে সতর্ক হোন। এছাড়া কারণ ছাড়াই হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া এবং সবসময় চরম ক্লান্তি অনুভব করা ক্যান্সারের পরোক্ষ লক্ষণ হতে পারে। অনেক সময় গলার স্বর বসে যাওয়া বা কর্কশ হয়ে যাওয়াও ফুসফুসের টিউমারের ইঙ্গিত দেয়। আপনি ধূমপায়ী হোন বা না হোন, এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চেস্ট এক্স-রে বা সিটি স্ক্যান করানো জরুরি। সচেতনতাই হতে পারে আপনার জীবন বাঁচানোর একমাত্র অস্ত্র।