শীত বিদায় নিলেও আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় ঘরে ঘরে বাড়ছে সর্দি-কাশি ও জ্বরের প্রকোপ। কিন্তু এই সাধারণ উপসর্গই অনেক সময় ডেকে আনতে পারে ‘নিউমোনিয়া’-র মতো মারাত্মক রোগ। এটি মূলত ফুসফুসের একটি গুরুতর সংক্রমণ, যেখানে ফুসফুসের বায়ুথলিতে জল বা পুঁজ জমে শ্বাসকষ্ট তৈরি হয়। সময়মতো চিকিৎসা না হলে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে।
কাদের ঝুঁকি বেশি?
চিকিৎসকদের মতে, নিউমোনিয়া যে কারোর হতে পারে, তবে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং ৬৫ বছরের বেশি বয়স্কদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, যারা অ্যাজমা বা সিওপিডি-র মতো ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগছেন, অথবা যারা নিয়মিত ধূমপান করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই রোগ দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে।
সতর্ক হওয়ার লক্ষণ:
বুকে ব্যথার পাশাপাশি প্রচণ্ড জ্বর এবং কাঁপুনিকাঠি।
শ্লেষ্মা বা কফসহ ক্রমাগত কাশি।
অল্প পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া।
প্রবল ক্লান্তি, বমি ভাব এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে মানসিক বিভ্রান্তি।
সাধারণ ফ্লু ভেবে নিউমোনিয়াকে অবহেলা করবেন না। উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রচুর জল ও পুষ্টিকর খাবার খান। সুস্থ থাকতে টিকাকরণ এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই একমাত্র পথ।