রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে ডামাডোল! গভীর রাতে বা কাকভোরে আসা বদলির নোটিস ঘিরে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের দুঁদে আইএএস এবং আইপিএস অফিসারদের ভিনরাজ্যে ‘অবজারভার’ হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে।
তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন তাঁদের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করছে। মুখ্যসচিব থেকে শুরু করে জেলাশাসক এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি থেকে শুরু করে এসপি—একের পর এক শীর্ষ আধিকারিককে ভিনরাজ্যে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাজ স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে আদালতে। কল্যাণের যুক্তি, কমিশনের দায়িত্ব অবাধ নির্বাচন করা, কিন্তু গোটা প্রশাসনের শীর্ষ স্তরকে তছনছ করে দেওয়া তাদের কাজ নয়।
আগামী সোমবার এই হাই-ভোল্টেজ মামলার শুনানি। তবে আইনি মহলে প্রশ্ন উঠছে, নির্বাচন কমিশনের মতো একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্তে কি হাইকোর্ট আদেও হস্তক্ষেপ করতে পারে? কমিশন এবং হাইকোর্ট উভয়ই সাংবিধানিক সংস্থা হওয়ায় এই সংঘাত এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।