রুপোলি পর্দায় যাঁর হাসিতে মেতে থাকে আসমুদ্রহিমাচল, সেই রাজপাল যাদবের (Rajpal Yadav) কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ। বহু পুরনো একটি চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল যাদবকে এবার চরম হুঁশিয়ারি দিল আদালত। বিচারপতি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, হয় টাকা মিটিয়ে মামলা শেষ করুন, অন্যথায় আইন অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে বাধ্য হবে আদালত।
আদালতে চরম ভর্ৎসনা: এদিন মামলার শুনানির সময় রাজপালের আইনজীবীদের ওপর বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারক। বারবার সময় চেয়েও পাওনাদারের টাকা পরিশোধ না করায় আদালত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এজলাসে বিচারপতি মন্তব্য করেন, “টাকা দিয়ে মামলা মিটিয়ে ফেলুন, নাহলে আমি রায় ঘোষণা করব। দীর্ঘ সময় ধরে এই মামলা ঝুলিয়ে রাখা সম্ভব নয়।”
বিবাদের সূত্রপাত: ঘটনাটি কয়েক বছর আগের। ২০১০ সালে রাজপাল যাদব ও তাঁর স্ত্রী রাধা যাদব একটি সিনেমা পরিচালনার জন্য দিল্লির এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেই টাকা ফেরত দেওয়ার সময় রাজপাল যে চেকগুলি দিয়েছিলেন, তা ব্যাঙ্কে বাউন্স হয়। এরপরই বিষয়টি আদালতের দোরগোড়ায় পৌঁছায়।
-
বারবার হাজিরা এড়ানো: এর আগেও এই মামলায় বেশ কয়েকবার আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় রাজপালকে জেল খাটতে হয়েছিল।
-
পাওনাদারের দাবি: অভিযোগকারীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বছরের পর বছর পার হয়ে গেলেও অভিনেতা তাঁর বকেয়া টাকা মেটানোর সদিচ্ছা দেখাচ্ছেন না।
পরিণতি কী হতে পারে? আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, আদালত যদি দোষী সাব্যস্ত করে তবে বড়সড় জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ডও হতে পারে রাজপালের। তবে আদালত তাকে শেষ সুযোগ দিয়েছে আপসে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য। এখন দেখার, ‘ভুলভুলাইয়া’র ছোটে পণ্ডিত কি পারবেন এই আইনি গোলকধাঁধা থেকে বেরিয়ে আসতে?