টলিউডের স্টুডিও পাড়ায় দীর্ঘদিনের দাবি ছিল টেকনিশিয়ানদের সামাজিক সুরক্ষা। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে। সুপারস্টার দেবের বিশেষ অনুরোধে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন যে, টলিউডের ৭০০০-এরও বেশি টেকনিশিয়ান এবার সরাসরি ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের আওতায় আসতে চলেছেন। এর ফলে স্টুডিওর লাইটম্যান থেকে শুরু করে মেকআপ আর্টিস্ট বা প্রোডাকশন বয়— পর্দার পেছনের সমস্ত কারিগররাই এখন ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অভিনেতা তথা সাংসদ দেব টেকনিশিয়ানদের এই সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীর কানে তোলেন। তিনি জানান, শুটিং
টলিউডের স্টুডিও পাড়ায় দীর্ঘদিনের দাবি ছিল টেকনিশিয়ানদের সামাজিক সুরক্ষা। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হতে চলেছে। সুপারস্টার দেবের বিশেষ অনুরোধে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন যে, টলিউডের ৭০০০-এরও বেশি টেকনিশিয়ান এবার সরাসরি ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের আওতায় আসতে চলেছেন। এর ফলে স্টুডিওর লাইটম্যান থেকে শুরু করে মেকআপ আর্টিস্ট বা প্রোডাকশন বয়— পর্দার পেছনের সমস্ত কারিগররাই এখন ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অভিনেতা তথা সাংসদ দেব টেকনিশিয়ানদের এই সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীর কানে তোলেন। তিনি জানান, শুটিং ফ্লোরে হাড়ভাঙা খাটুনি করলেও অনেক সময় অসুস্থতার মুখে অর্থের অভাবে সঠিক চিকিৎসা পান না এই কর্মীরা। দেবের এই মানবিক আরজিতে তৎক্ষণাৎ সবুজ সঙ্কেত দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্য সরকার শিল্পীদের পাশাপাশি টেকনিশিয়ানদেরও সমান গুরুত্ব দেয়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে টলিউডের ফেডারেশন অব সিনে টেকনিশিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সদস্যদের মধ্যে খুশির জোয়ার বয়ে গিয়েছে। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তাঁদের কাজের নূন্যতম নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হলো। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই বিশেষ ক্যাম্প করে এই ৭০০০ জন টেকনিশিয়ানকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বিলি করা হবে। দেবের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন টলিউডের অন্য তারকারাও। তাঁদের মতে, ইন্ডাস্ট্রি মানে শুধু নায়ক-নায়িকা নয়, এই কর্মীরাই আসল মেরুদণ্ড, আর তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়া মানে গোটা টলিউডের জয়।
ফ্লোরে হাড়ভাঙা খাটুনি করলেও অনেক সময় অসুস্থতার মুখে অর্থের অভাবে সঠিক চিকিৎসা পান না এই কর্মীরা। দেবের এই মানবিক আরজিতে তৎক্ষণাৎ সবুজ সঙ্কেত দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজ্য সরকার শিল্পীদের পাশাপাশি টেকনিশিয়ানদেরও সমান গুরুত্ব দেয়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে টলিউডের ফেডারেশন অব সিনে টেকনিশিয়ানস অ্যান্ড ওয়ার্কার্স অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার সদস্যদের মধ্যে খুশির জোয়ার বয়ে গিয়েছে। অনেকেই বলছেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তাঁদের কাজের নূন্যতম নিরাপত্তা সুনিশ্চিত হলো। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই বিশেষ ক্যাম্প করে এই ৭০০০ জন টেকনিশিয়ানকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বিলি করা হবে। দেবের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন টলিউডের অন্য তারকারাও। তাঁদের মতে, ইন্ডাস্ট্রি মানে শুধু নায়ক-নায়িকা নয়, এই কর্মীরাই আসল মেরুদণ্ড, আর তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়া মানে গোটা টলিউডের জয়।