বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীসহ বিরোধীদের আনা সমস্ত অভিযোগ সরাসরি খারিজ করে দিলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব বুধবার ধ্বনি ভোটে খারিজ হওয়ার পর, বৃহস্পতিবার লোকসভার অধিবেশনে স্পিকার স্পষ্ট জানান, তিনি সংসদীয় নিয়ম মেনেই উভয় পক্ষকে সমান সুযোগ দিয়েছেন এবং তাঁর কোনো পদক্ষেপে পক্ষপাতিত্ব ছিল না।
বিতর্কের মূলে কী?
বিরোধী সাংসদদের মাইক্রোফোন বন্ধ করে দেওয়া এবং বিরোধী কণ্ঠস্বর রুদ্ধ করার অভিযোগের জবাবে বিড়লা সাফ জানান, ‘‘চেয়ারের কাছে মাইক্রোফোন চালু বা বন্ধ করার কোনো বোতাম থাকে না।’’ নিয়ম অনুযায়ী, যার পালা আসে কেবল সেই কথা বলতে পারেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংসদীয় শালীনতা বজায় রাখাই তাঁর প্রধান কাজ। যখন কোনো সদস্য নিয়ম লঙ্ঘন করেন বা প্ল্যাকার্ড নিয়ে ট্রেজারি বেঞ্চে হামলা চালান, তখনই তিনি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
নিয়মের অনুশাসন:
স্পিকার আক্ষেপের সুরে বলেন, কোনো সদস্যকে সাসপেন্ড করা তাঁর কাছে মোটেই সুখকর নয়। কিন্তু সংসদের মর্যাদা রক্ষায় ৩৭৭ নম্বর বিধি অনুযায়ী তিনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হন। এছাড়া, সংসদে কোনো নথি, ছবি বা উদ্ধৃতি পেশ করার আগে যে তাঁর পূর্বানুমোদন প্রয়োজন—সেই নিয়মটি কঠোরভাবে মনে করিয়ে দেন স্পিকার।
যারা তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে ওম বিড়লা বুঝিয়ে দিয়েছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখাই তাঁর অগ্রাধিকার। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার পর স্পিকারের এই বক্তব্য পরিস্থিতিকে নতুন মোড় দিল।