মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাফ জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির জন্য বিপক্ষকে আগে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ইরানের সুরক্ষার নিশ্চয়তা দিতে হবে। এর মধ্যেই ইরাকের জলসীমায় দুটি তেল ট্যাংকারে ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটেছে, যাতে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত জাহাজগুলির মধ্যে রয়েছে মালটার পতাকাবাহী ‘জেফ্রিওস’ এবং মার্শাল আইল্যান্ডের ‘সেফ সি বিষ্ণু’। এছাড়াও বাহরাইনের একটি ট্যাংকারেও হামলার অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে।
এদিকে, লেবানন সীমান্ত দিয়ে ইরান ও হিজবুল্লাহর যৌথ রকেট হামলায় কেঁপে উঠেছে ইসরায়েল। আকাশপথে এই আক্রমণ প্রতিহত করার দাবি করেছে তেল আভিভ। পাল্টা জবাবে বৈরুতের কাছে ইসরায়েলি বিমান হামলায় সাতজন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন।
এমন অস্থির সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কেনটাকির এক সভায় দাবি করেছেন, যুদ্ধে আমেরিকা ইরানকে ধ্বংস করে ফেলেছে এবং প্রথম প্রহর থেকেই জয় নিশ্চিত হয়েছে। যদিও যুদ্ধের উদ্দেশ্য ও স্থায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্প ও তাঁর প্রশাসনের বক্তব্যে পরস্পরবিরোধী সুর শোনা যাচ্ছে। এদিকে, পেন্টাগনের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধের প্রথম ছয় দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের খরচ হয়েছে ১১.৩ বিলিয়ন ডলার। ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন সেনারা সেখানেই অবস্থান করবে। বিশ্ব রাজনীতিতে এখন এই সংঘাত এক চরম অনিশ্চিত মোড় নিয়েছে।