নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা এবং অতীত নির্বাচনের হিংসার ইতিহাস— এই তিনটি বিষয়কে মাথায় রেখেই দফার সংখ্যা ঠিক করা হবে। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একটি এলাকায় ভোট হয়ে যাওয়ার পর সেই বাহিনীকে সরিয়ে অন্য এলাকায় নিয়ে যাওয়ার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন, তার ওপর ভিত্তি করেই দফার সংখ্যা নির্ধারিত হবে।”
কমিশন সূত্রে খবর, স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা এবং জেলাওয়ারি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির রিপোর্ট অনুযায়ী ৭ থেকে ৮ দফায় ভোট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে জ্ঞানেশ কুমার যোগ করেছেন যে, উত্তরবঙ্গের চা বাগান থেকে শুরু করে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ভোটারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কমিশন কোনো আপস করবে না। শীঘ্রই কমিশনের একটি পূর্ণাঙ্গ দল বাংলায় এসে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করবে।