সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর আয়ের অংক এক নতুন মোড় নিয়েছে। সবথেকে বড় চমক দিয়েছে আম আদমি পার্টি (AAP)। গত অর্থবর্ষের তুলনায় তাদের আয় প্রায় ৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলের এই বিপুল রোজগারের পিছনে মূলত ছোট ছোট অনুদান এবং দলের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তালিকার শীর্ষে বরাবরের মতো রয়েছে বিজেপি। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে বিজেপির আয় গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। নির্বাচনী বন্ড বন্ধ হওয়া সত্ত্বেও কর্পোরেট অনুদান ও সদস্য চাঁদার মাধ্যমে বিজেপির কোষাগার পূর্ণ রয়েছে। একইভাবে আয়ের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী বাম দল সিপিএম (CP-M)-এরও। কেরল ও অন্যান্য রাজ্য থেকে সংগৃহীত লেভি ও অনুদানের মাধ্যমে সিপিএম তাদের আর্থিক স্থিতি বজায় রেখেছে।
তবে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখা গিয়েছে কংগ্রেসের ক্ষেত্রে। একে তো নির্বাচনী ফলাফল আশানুরূপ নয়, তার ওপর আয়করের মামলা ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ার জেরে কংগ্রেসের আয় লক্ষ্যণীয়ভাবে কমেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অনুদান দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলো এখন ‘হাত’ শিবিরের বদলে শাসক দলের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। ফলে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই ‘খালি হাত’ দলটির জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।