আকাশে নতুন শিকারী! ‘ভারী আঘাতকারী’ যুদ্ধবিমান তেজস Mk2, কাঁপছে শত্রুদেশ

ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তিবৃদ্ধিতে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে তেজস Mk2 (Tejas Mk2)। বর্তমানে এই যুদ্ধবিমানটির প্রথম প্রোটোটাইপের অ্যাসেম্বলি প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি কেবল একটি হালকা যুদ্ধবিমান নয়, বরং একটি ‘হেভি হিটার’ বা শক্তিশালী আক্রমণকারী বিমানে পরিণত হতে চলেছে। আজ ৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই ঘাতক বিমানটির ‘রোল আউট’ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন তেজস Mk2 এত শক্তিশালী? ১. শক্তিশালী ইঞ্জিন: তেজস Mk1-এ থাকা GE F404 ইঞ্জিনের বদলে এতে থাকছে অনেক বেশি ক্ষমতাশালী GE F414 ইঞ্জিন। এটি ৯৮ কিলোনিউটন থ্রাস্ট উৎপন্ন করতে সক্ষম, যা বিমানটিকে আরও দ্রুতগতি এবং ভারী অস্ত্র বহনের ক্ষমতা দেবে। ২. অস্ত্রভাণ্ডার: এতে থাকছে ১১টি হার্ডপয়েন্ট (অস্ত্র রাখার জায়গা)। তেজস Mk2 একাই বয়ে নিয়ে যেতে পারবে প্রায় ৬.৫ টন ওজনের অস্ত্র। যার মধ্যে থাকবে দেশীয় ‘অস্ত্র’ (Astra) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ মিসাইল এবং ‘ব্রহ্মস-এনজি’ (BrahMos-NG) ক্রুজ মিসাইল। ৩. উন্নত রাডার ও প্রযুক্তি: দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘উত্তম’ এইসা (Uttam AESA) রাডার এবং ইনফ্রারেড সার্চ অ্যান্ড ট্র্যাক (IRST) সিস্টেম একে রাফালের সমতুল্য করে তুলেছে। এটি শত্রুর রাডারকে জ্যাম করার পাশাপাশি একসঙ্গে ৫০টি লক্ষ্যবস্তুর ওপর নজর রাখতে পারবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০২৬ সালের জুন-জুলাই নাগাদ এই বিমানের প্রথম উড্ডয়ন বা ‘মেডেন ফ্লাইট’ হতে পারে। মিরাজ ২০০০ (Mirage-2000), জাগুয়ার এবং মিগ-২৯-এর মতো পুরনো বিমানগুলিকে প্রতিস্থাপন করে তেজস Mk2 হবে ভারতের আকাশসীমা রক্ষার প্রধান স্তম্ভ। ৫৫০ শব্দের এই বিশেষ প্রতিবেদনে ভারতের এই দেশীয় যুদ্ধবিমানের প্রতিটি কারিগরি দিক এবং রণকৌশলগত গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy