ধ্বংসস্তূপে শ্মশানের নীরবতা! বেইরুট থেকে বেকাভ্যালি ছারখার, হিজবুল্লা কি তবে এবার সাদা পতাকা তুলবে?

গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ লেবানন এবং রাজধানী বেইরুটের দক্ষিণ শহরতলিতে নরক নামিয়ে এনেছে ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (IDF)। একের পর এক সুনির্দিষ্ট হামলায় হিজবুল্লার সামরিক কাঠামো কার্যত তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে। যে বেকাভ্যালিকে হিজবুল্লার ‘লাইফলাইন’ বলা হতো, সেই উপত্যকা এখন কেবলই ধ্বংসাবশেষ আর লাশের স্তূপ। পরিস্থিতির ভয়াবহতা দেখে সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হিজবুল্লার সামনে এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মতো অবস্থা।

বিধ্বস্ত বেইরুট ও কৌশলগত পরাজয়: ইজরায়েলি ফাইটার জেটগুলি বেইরুটের দাহিয়া এলাকায় হিজবুল্লার কমান্ড সেন্টারগুলোকে লক্ষ্য করে কয়েকশ টন বিস্ফোরক বর্ষণ করেছে। আকাশপথে আধিপত্য বিস্তারের পর এবার ইজরায়েলি ট্যাঙ্ক বাহিনী সীমান্তে থাবা বসাতে শুরু করেছে। হিজবুল্লার প্রধান অস্ত্র ভাণ্ডার এবং সুড়ঙ্গপথগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা আগের তুলনায় অনেকটাই ক্ষীণ। নেতৃত্বের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যেই নিকেশ হওয়ায় গোষ্ঠীটির ভেতরে এখন বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

আত্মসমর্পণের চাপ ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন: লেবাননের সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। বেইরুটের রাজপথে দাঁড়িয়ে গৃহহীন মানুষ এখন শান্তির আর্জি জানাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক স্তরে খবর চাউর হয়েছে যে, হিজবুল্লার কিছু শীর্ষ নেতা লেবানন সরকারের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন। তবে ইজরায়েলের স্পষ্ট কথা— সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ এবং লিটানি নদীর ওপারে সরে না যাওয়া পর্যন্ত হামলা থামবে না। প্রশ্ন উঠছে, ইরান কি শেষ মুহূর্তে তাদের এই ‘প্রক্সি’ বাহিনীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসবে, নাকি হিজবুল্লাকে নিজের ভাগ্যেই ছেড়ে দেবে?

পরবর্তী পদক্ষেপ: বেকাভ্যালিতে হিজবুল্লার কৌশলগত মজুত ধ্বংস হওয়ার পর পাল্টাহামলা চালানোর ক্ষমতা হারিয়েছে তারা। এখন দেখার বিষয়, তারা পরাজয় স্বীকার করে আত্মসমর্পণের পথে হাঁটে নাকি লেবাননকে পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে আত্মঘাতী লড়াই চালিয়ে যায়।


🔹 Hindi Version: (५५० शब्द)

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy