ভারত মহাসাগরে যুদ্ধের পারদ চড়ছে। গতকালই মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডো হানায় শ্রীলঙ্কার গলে (Galle) উপকূলের অদূরে ধ্বংস হয়েছে ইরানের অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ IRIS Dena। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই আজ, ৫ মার্চ ২০২৬, শ্রীলঙ্কার সংসদের অধিবেশনে সে দেশের মিডিয়া মন্ত্রী নলিন্দ জয়তিস্সা এক বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কার জলসীমার ঠিক বাইরেই পৌঁছে গিয়েছে ইরানের আরও একটি দ্বিতীয় যুদ্ধজাহাজ।
এই ঘটনায় দক্ষিণ এশীয় রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সূত্রের খবর, ইরানি এই নতুন জাহাজটিতে ১০০-রও বেশি ক্রু মেম্বার রয়েছেন। গতকালের হামলায় অন্তত ৮৭ জন ইরানি নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং ৩১ জনকে উদ্ধার করে শ্রীলঙ্কার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এই হামলার জন্য আমেরিকাকে ‘চরম মূল্য’ চোকাতে হবে।
শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে বর্তমানে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করছেন। দ্বিতীয় এই জাহাজটিকে শ্রীলঙ্কার জলসীমার ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। অন্যদিকে, ভারত মহাসাগরে ইরানের এই ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতি সরাসরি আমেরিকার দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সমর বিশেষজ্ঞরা। প্রতিশোধের নেশায় ইরান কি এবার বড় কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেবে? উত্তর খুঁজছে বিশ্ব।