শনিবার থেকে শুরু হওয়া ইরান বনাম ইজরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের জেরে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে বিশ্বজুড়ে বিমান পরিষেবার সূচি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর প্রয়াণ এবং তার পরবর্তী সামরিক উত্তেজনার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ এখন কার্যত রণক্ষেত্র। নিরাপত্তার খাতিরে ইরান, জর্ডন, ইরাক এবং লেবানন তাদের আকাশপথ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে।
এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর ওপর। লুৎফথানসা, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ এবং এয়ার ইন্ডিয়ার মতো সংস্থাগুলো মধ্যপ্রাচ্যগামী এবং সেই পথ দিয়ে চলাচলকারী কয়েক শ’ উড়ান বাতিল করেছে। অনেক বিমান মাঝ আকাশ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছে। ইউরোপ থেকে এশিয়াগামী বিমানগুলোকে এখন অনেকটা পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যার ফলে জ্বালানি খরচ এবং সময় দুই-ই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দিল্লি ও মুম্বই বিমানবন্দর সূত্রে খবর, পশ্চিম এশিয়ামুখী উড়ানগুলো বাতিল হওয়ায় হাজার হাজার যাত্রী বিমানবন্দরে আটকে পড়েছেন। যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে এই অচলাবস্থা আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিমান সংস্থাগুলো জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের এই দামামা তেলের দামের পাশাপাশি বিমান ভাড়াতেও বড়সড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।