খামেনির প্রয়াণে কি থমকে যাবে ইরান? ট্রাম্পের চালে এবার কি বড় কোনো উলটপুরাণ!

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রয়াণের খবরে তোলপাড় বিশ্ব রাজনীতি। দশকের পর দশক ধরে ইরানের ক্ষমতার শেষ কথা ছিলেন তিনি। তাঁর প্রস্থান কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নয়, বরং গোটা পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে আমেরিকার নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি এবং খামেনির মৃত্যুর পর তৈরি হওয়া শূন্যতা—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে তেহরানে কি এবার বড় কোনো ‘ক্ষমতা বদল’ ঘটতে চলেছে? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে কূটনৈতিক মহলে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই ইরানের কট্টর সমালোচক এবং খামেনির কড়া বিরোধী হিসেবে পরিচিত। তাঁর প্রথম মেয়াদে ‘ম্যাক্সিমাম প্রেসার’ পলিসির মাধ্যমে ইরানকে কোণঠাসা করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। এবার খামেনির অবর্তমানে ইরান যদি রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখে পড়ে, তবে ট্রাম্পের লক্ষ্য পূরণ হওয়া অনেক সহজ হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খামেনির উত্তরাধিকারী নির্বাচন নিয়ে যদি শিয়া ধর্মতাত্ত্বিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়, তবে সেই সুযোগে ইরান বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র হতে পারে। মার্কিন প্রশাসন কি তবে ইরানের সরকার পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোবে? বর্তমান পরিস্থিতিতে তেহরানের গদিতে কার নিয়ন্ত্রণ থাকবে, তার ওপরই নির্ভর করছে আগামীর বিশ্ব শান্তি।

Related Posts

© 2026 Tips24 - WordPress Theme by WPEnjoy