ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইর মৃত্যুসংবাদ আছড়ে পড়ল কাশ্মীর উপত্যকায়। রবিবার সকাল থেকেই শ্রীনগরের রাজপথে নেমে আসেন হাজার হাজার শিয়া মুসলিম ধর্মপ্রাণ মানুষ। খামেনেইর প্রয়াণকে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে জমা হওয়া ক্ষোভ আছড়ে পড়ে আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে। শ্রীনগরের ঐতিহাসিক লালচকে কালো পতাকা এবং খামেনেইর প্রতিকৃতি নিয়ে জমায়েত হওয়া মানুষজন ‘শহীদ খামেনেই অমর রহে’ এবং ‘আমেরিকা মুর্দাবাদ’ স্লোগানে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে তোলেন।
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ময়দানে নেমেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ। তিনি এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে এক বার্তায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “ইরানের এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় আমরা শোকাহত। তবে কাশ্মীরের মানুষের কাছে আমার আবেদন, আপনারা শান্ত থাকুন এবং কোনো ধরণের উস্কানিতে পা দেবেন না।” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শ্রীনগর, বদগাম এবং কারগিলের মতো স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী। উল্লেখ্য, খামেনেই কেবল ইরানের নেতা ছিলেন না, কাশ্মীরের শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে তিনি ছিলেন এক পরম শ্রদ্ধেয় আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক। তাঁর প্রয়াণে আজ উপত্যকার বহু বাজার ও দোকানপাট স্বতঃস্ফূর্তভাবে বন্ধ রয়েছে।