শিলিগুড়িতে এক গর্ভবতী আদিবাসী মহিলার ওপর নৃশংস অত্যাচারের প্রতিবাদ এবং একাধিক সামাজিক দাবি নিয়ে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের রূপ নিল ‘উত্তরকন্যা’। আদিবাসী সম্প্রদায়ের এই বিশাল মিছিলটি সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হতেই পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ যথেচ্ছ লাঠিচার্জ এবং টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায় বলে অভিযোগ। পুলিশের এই কড়া পদক্ষেপে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় মিছিল, আহত হন বহু বিক্ষোভকারী।
এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজ্য সরকারের ওপর তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পুলিশের এই ভূমিকাকে ‘বর্বরোচিত’ বলে আখ্যা দিয়ে দাবি করেছেন যে, কোনো উস্কানি ছাড়াই শান্তিকামী আদিবাসীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, অন্যায়ভাবে বেশ কয়েকজন আদিবাসী নেতাকে গ্রেফতার করে জেলে আটকে রাখা হয়েছে।
আদিবাসী সংগঠনের দাবি, বিচার চাইতে এসে প্রশাসনিক ভবনের সামনে তাঁদের ওপর যেভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই ঘটনার পর উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে উঠেছে এবং শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, আদিবাসীদের ওপর এই অত্যাচারের হিসাব নেওয়া হবে।