ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বর্তমানে এক নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এসে দাঁড়িয়েছে। সৌজন্যে—ভিভিআইপি (VVIP) এবং উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের জন্য নতুন ‘এক্সিকিউটিভ জেট’ কেনার প্রক্রিয়া। দেশের সীমান্ত সুরক্ষা এবং সেনার আধুনিকীকরণের জন্য যখন বাজেটের সঠিক বরাদ্দের দাবি উঠছে, ঠিক সেই সময় কয়েকশো কোটি টাকা ব্যয়ে বিলাসবহুল জেট কেনার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, বর্তমান বিমান বহরের বয়স হয়ে যাওয়ায় এবং নিরাপত্তার খাতিরেই এই নতুন ও অত্যাধুনিক জেট কেনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিমানগুলিতে থাকবে অ্যান্টি-মিসাইল সিস্টেম এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। তবে সমালোচকদের দাবি, যেখানে পদাতিক সৈন্য ও বায়ুসেনার জন্য প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্র ও পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রয়োজন অনেক বেশি, সেখানে কেন অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এক্সিকিউটিভ জেটকে? বিরোধীরা একে ‘জনগণের ট্যাক্সের অপচয়’ বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে।
মন্ত্রকের পাল্টা যুক্তি হলো, কৌশলগত আলোচনার জন্য দ্রুত যাতায়াত এবং আকাশপথে সুরক্ষিত যোগাযোগ রক্ষার জন্য এই আধুনিক জেট অপরিহার্য। যদিও এই কেনাকাটার টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং পছন্দের সংস্থা নিয়ে ইতিমধ্যেই জলঘোলা শুরু হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় না থাকলে এটি ফের এক বড় রাজনৈতিক বিতর্কের আকার নিতে পারে। ডেইলিহান্ট-এ এই খবরের গভীরে নজর রাখলে বোঝা যাচ্ছে, আগামী দিনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে এই কেনাকাটার সপক্ষে আরও জোরালো তথ্য পেশ করতে হতে পারে।