মধ্যপ্রদেশের ভোপালে একটি অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর যৌনপাচার ও ধর্মান্তর চক্রের পর্দাফাঁস করল পুলিশ। গরিব ঘরের তরুণীদের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলা, ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ধর্ম পরিবর্তনের মতো গুরুতর অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দুই বোন আমরিন ও আফরিনকে। এই চক্রে জড়িত থাকার অপরাধে ধরা পড়েছে তাদের ভাই জামাল এবং সহযোগী চন্দন যাদবও। তবে জান্নাত ও ইয়াসির নামে আরও দুই অভিযুক্ত এখনও পলাতক।
পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে শিউরে ওঠা সব তথ্য। অভিযুক্তরা মূলত অভাবী পরিবারের মেয়েদের মাসিক ১০ হাজার টাকার বেতন ও থাকার জায়গার লোভ দেখিয়ে নিয়ে আসত। এরপর তাঁদের বিভিন্ন পাব, লাউঞ্জ ও হাই-প্রোফাইল পার্টিতে নিয়ে গিয়ে ধনী ব্যক্তিদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হতো। অভিযোগ, বাধা দিলে মাদক খাইয়ে অচৈতন্য করে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে ভুক্তভোগীদের।
এক নির্যাতিতা জানিয়েছেন, তাঁকে কাজের নাম করে গুজরাতে নিয়ে গিয়ে যৌন নিগ্রহ করা হয়। অন্য এক গৃহকর্মীর অভিযোগ, চন্দন যাদব তাঁকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। এফআইআর-এ (FIR) স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে যে, অনেককে জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাও চালিয়েছে এই চক্র। ধৃতদের মোবাইল থেকে উদ্ধার হয়েছে সন্দেহজনক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও বহু তরুণীর ছবি। পুলিশ মনে করছে, এটি একটি আন্তঃরাজ্য পাচার চক্রের অংশ, যার শিকড় অনেক গভীরে।