নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগেই শ্যুটআউটের ঘটনায় রক্তক্ষয়ী হয়ে উঠল হাওড়ার গোলাবাড়ি। পিলখানা এলাকায় এক প্রোমোটারকে প্রকাশ্য রাস্তায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়ার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে এসেছে হারুন খানের। কিন্তু তদন্ত এগোতেই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা কার্যত শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে প্রবল অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে।
তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত হারুন খান শুধুমাত্র স্থানীয় বিধায়কের বাইকে সওয়ার হওয়াই নয়, বরং তৃণমূলের বিভিন্ন মিছিলেও অগ্রণী ভূমিকায় দেখা যেত তাকে। ভাইরাল হওয়া বেশ কিছু ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শাসক দলের প্রথম সারির নেতাদের খুব কাছেই অবাধ যাতায়াত ছিল এই দুষ্কৃতীর। প্রোমোটারি বিবাদ না কি এর পিছনে কোনো গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ রয়েছে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় হারুনের দাপট ছিল প্রশ্নাতীত, আর সেই দাপটের উৎস ছিল প্রভাবশালীদের ঘনিষ্ঠতা।
ঘটনার দিন দুপুরে জনাকীর্ণ পিলখানা এলাকায় ওই প্রোমোটারকে লক্ষ্য করে পর পর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় হারুন ও তার দলবল। রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করলেও এখনও সে অধরা। বিরোধীদের অভিযোগ, পুলিশের একাংশ ও শাসক দলের মদতেই হারুন গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। ভোটের মুখে এই শ্যুটআউট হাওড়ার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।