কলা খাওয়ার পর খোসা ফেলে দেওয়াটাই আমাদের চিরচেনা অভ্যাস। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, আমরা আসল পুষ্টির বড় অংশই ডাস্টবিনে ফেলে দিচ্ছি। আপনি কি জানেন, কলার খোসা ফাইবার, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের খনি? বিশেষ করে যারা দীর্ঘস্থায়ী পেটের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য কলার খোসা হতে পারে পরম বন্ধু।
কলার খোসায় থাকা উচ্চমাত্রার ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা লুটিন নামক উপাদান চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ট্রিপটোফ্যান নামক অ্যামিনো অ্যাসিড মেজাজ ফুরফুরে রাখতে সাহায্য করে।
অবশ্যই খোসাটি কাঁচা না খেয়ে ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করে স্মুদি বানিয়ে বা ভাজি করে খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। এমনকি কলার খোসার চাটনিও এখন জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে খাওয়ার আগে নিশ্চিত করুন কলাটি যেন রাসায়নিকমুক্ত বা অর্গানিক হয়। নিয়মিত সঠিক উপায়ে কলার খোসা খেলে হজমশক্তির আমূল পরিবর্তন আপনি নিজেই লক্ষ্য করবেন।