২০২৬ সালের হোলি উৎসব এক নজিরবিহীন জ্যোতির্বিদ্যাগত ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে। এবার ক্যালেন্ডারে হোলিকা দহন এবং রঙের উৎসবের মাঝে ২৪ ঘণ্টার এক বিশাল ব্যবধান তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তুঙ্গে। জ্যোতিষশাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, ৩ মার্চ দোল পূর্ণিমার দিনেই ঘটতে চলেছে ‘পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ’, যা ভারতে স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে। এই বিরল মহাজাগতিক পরিস্থিতির কারণেই উৎসবের নির্ঘণ্টে এই বড় রদবদল।
শাস্ত্রমতে, ৩ মার্চ বিকেল ৩:১৯ থেকে সন্ধ্যা ৬:৪৭ পর্যন্ত গ্রহণের প্রভাব থাকবে এবং তার ৯ ঘণ্টা আগে থেকেই ‘সূতক কাল’ শুরু হয়ে যাবে। সূতক চলাকালীন রঙ খেলা, আনন্দ-উৎসব বা শুভ কাজ নিষিদ্ধ। তাই ২ মার্চ রাত ১২:৫০ থেকে ২:০২-এর মধ্যে হোলিকা দহন সম্পন্ন হলেও, রঙ খেলা হবে ৪ মার্চ, বুধবার। ১০০ বছর পর হোলির দিন এই ‘রক্তচন্দ্র’ বা ব্লাড মুন দেখা দেওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বুধবার বুধ গ্রহের প্রভাবে হোলি পালিত হওয়ায় তা মানুষের জীবনে মানসিক শান্তি ও সম্পর্কের মাধুর্য নিয়ে আসবে বলে মনে করছেন জ্যোতিষীরা।