ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেনি কমিশন, এমনকি তৃণমূলের প্রার্থী তালিকাও এখনও অধরা। অথচ তার আগেই দেওয়াল দখলের লড়াইয়ে নেমে পড়লেন একদল অতি-উৎসাহী তৃণমূল কর্মী। সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে বর্তমান বিধায়ক তথা অভিনেত্রী লাভলী মৈত্রকে ফের প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরে শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন। রাজপুর সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে লাভলীর নামে এই আগাম প্রচার ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
তবে বিতর্ক দানা বাঁধতেই তড়িঘড়ি সেই দেওয়াল মুছে সাদা চুনের প্রলেপ দেওয়া হয়। ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে লাভলী মৈত্র দাবি করেছেন, “এই খবর ভিত্তিহীন, দেওয়ালটি পুরনো ছিল।” অন্যদিকে, পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরে টিকিট পাওয়া নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা গিয়েছে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর গলায়। জেলা সভাপতির নাম টেনে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, লড়াইয়ের ময়দানে তিনিই থাকছেন। ভোট ঘোষণার আগেই নেতাদের এই ‘আগাম প্রার্থী’ হওয়া কি দলের ওপর পরোক্ষ চাপ সৃষ্টির কৌশল? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক অন্দরে।