মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। একদিকে যখন পুরনো মাদক মামলায় তাঁর মেয়ে ও জামাইয়ের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে পুলিশ, ঠিক তখনই এক বিস্ফোরক দাবি করে বসলেন এই দাপুটে নেতা। হুমায়ুনের দাবি, তাঁর জামাইকে লালগোলা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করতে চাইছে খোদ তৃণমূল কংগ্রেস। ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলের এই চাঞ্চল্যকর দাবি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা।
সম্প্রতি একটি পুরনো মাদক পাচার মামলার জল গড়িয়েছে হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ি পর্যন্ত। পুলিশি অভিযানে বাজেয়াপ্ত হয়েছে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি। এই বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করলেও, এরই মাঝে দলের অন্দরের এক গোপন সমীকরণের কথা প্রকাশ্যে আনলেন বিধায়ক। হুমায়ুন জানান, দলের পক্ষ থেকে তাঁর জামাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তাঁকে আগামী নির্বাচনে লালগোলা থেকে লড়াই করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
একদিকে কেন্দ্রীয় বা রাজ্য এজেন্সির নজরদারিতে থাকা পরিবারের সদস্যকে কেন প্রার্থী করতে চাইছে দল— তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। হুমায়ুন কবীর অবশ্য বরাবরের মতোই স্পষ্টবক্তা। তাঁর কথায়, জামাইকে প্রার্থী করার বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিবেচনা, তবে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ঘটনার সাথে এর কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন তিনি। লালগোলার রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।