রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের দীর্ঘদিনের টানাপড়েনে অবশেষে ইতি পড়ল। সংঘাতের পথ ছেড়ে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মাথা পেতে নিল নবান্ন। মঙ্গলবার বিকেলে মুখ্যসচিবের দপ্তর থেকে একটি জরুরি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকায় অনিয়ম এবং গাফিলতির অভিযোগে অভিযুক্ত ৭ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (AERO)-কে অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হচ্ছে।
কেন এই পদক্ষেপ? কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের কাছে এই ৭ আধিকারিকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় তাঁরা নিজেদের কর্তব্যে চরম গাফিলতি করেছেন। প্রথমে রাজ্য সরকার বিষয়টিকে এড়িয়ে গেলেও, কমিশনের তরফে ‘কড়া বার্তা’ এবং ডেডলাইন দেওয়ার পরই সুর নরম করে নবান্ন। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে সরকার।
প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য: মুখ্যসচিবের এই নির্দেশের পর জেলা স্তরের আধিকারিকদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের একটি বড় অংশ মনে করছে, কমিশনের এই অনড় মনোভাব আসন্ন ২০২৬ নির্বাচনে আধিকারিকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। সংঘাত এড়িয়ে কমিশনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখাই এখন নবান্নের প্রধান কৌশল হতে চলেছে।