টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হওয়ার আগেই বড়সড় ধাক্কা খেল অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। দলের অন্যতম প্রধান পেসার জশ হ্যাজেলউড চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন। অজি শিবিরের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে তড়িঘড়ি দলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে অভিজ্ঞ ব্যাটার স্টিভ স্মিথকে। পেসারের পরিবর্তে একজন ব্যাটারকে দলে নেওয়া নিয়ে ক্রিকেট মহলে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা।
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুশীলনের সময় চোট পান হ্যাজেলউড। স্ক্যান রিপোর্টে ধরা পড়েছে তাঁর চোট গুরুতর এবং তা সেরে উঠতে বেশ কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে হ্যাজেলউডকে না পাওয়া অজিদের বোলিং বিভাগের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তবে চমকপ্রদ বিষয় হলো, তাঁর বদলি হিসেবে কোনো পেসারকে না ডেকে নির্বাচকরা ভরসা রেখেছেন স্টিভ স্মিথের অভিজ্ঞতার ওপর। উল্লেখ্য, শুরুতে ঘোষিত ১৫ জনের মূল স্কোয়াডে স্মিথের জায়গা না হওয়ায় ক্রিকেট বিশ্বে যথেষ্ট শোরগোল পড়েছিল। এবার হ্যাজেলউডের দুর্ভাগ্যই স্মিথের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এল।
নির্বাচকদের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ কেউ মনে করছেন, স্পিন-সহায়ক উইকেটে স্মিথের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটার দলের মিডল অর্ডারে ভরসা জোগাবেন। আবার অনেকের মতে, হ্যাজেলউডের মতো একজন ‘উইকেট টেকার’ বোলার না থাকায় ডেথ ওভারে সমস্যায় পড়তে পারে অজিরা। অধিনায়ক মিচেল মার্শ জানিয়েছেন, “হ্যাজেলউডের বাদ পড়াটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, ও আমাদের দলের প্রধান অস্ত্র ছিল। তবে স্টিভ স্মিথের প্রত্যাবর্তনে দলের ব্যাটিং লাইন-আপ আরও শক্তিশালী হবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।” বিশ্বকাপের রণকৌশলে স্মিথকে কীভাবে ব্যবহার করা হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।