রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা নিয়ে বড়সড় চমক আসতে চলেছে। রাজনৈতিক মহলে তীব্র গুঞ্জন, এবার হয়তো বাদ পড়তে পারেন দলের বর্তমান সাংসদ তথা জাতীয় মুখপাত্র সাকেত গোখলে। তাঁর জায়গায় দিল্লির উচ্চকক্ষে তৃণমূল পাঠাতে পারে রাজ্যের এক অত্যন্ত পরিচিত এবং প্রভাবশালী সাংবাদিককে। লোকসভা ভোটের সাফল্যের পর রাজ্যসভার সমীকরণেও যে দল নতুনত্ব আনতে চায়, এই জল্পনা তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সাকত গোখলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণাত্মক মেজাজে বিজেপি-বিরোধী লড়াই চালালেও, দলের অন্দরে একাংশের মতে তাঁর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে বাংলার রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রয়েছে এমন কাউকে রাজ্যসভায় পাঠানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। সূত্রের খবর, এক প্রবীণ সাংবাদিকের নাম নিয়ে ইতিমধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। ওই সাংবাদিক দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় রাজনীতি এবং নবান্নর খবরাখবর কভার করছেন, যাঁর বাগ্মিতা ও অভিজ্ঞতা দিল্লিতে তৃণমূলের স্বর আরও জোরালো করবে বলে মনে করছে দল।
যদিও সেই ‘সাংবাদিক’ কে, তা নিয়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও মুখে কুলুপ এঁটেছে। অতীতের দিকে তাকালে দেখা যায়, কুণাল ঘোষ থেকে শুরু করে সাগরিকা ঘোষ—সাংবাদিকদের রাজ্যসভায় পাঠানোর ঐতিহ্য তৃণমূলের দীর্ঘদিনের। ২০২৬-এর আগে জাতীয় স্তরে প্রচারের ময়দানে শান দিতেই কি এই সিদ্ধান্ত? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের নজর এখন কালীঘাটের প্রার্থী তালিকার দিকে।