পরকীয়া বা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে সমাজে কৌতুহলের শেষ নেই। যুগ যুগ ধরে ধারণা ছিল যে পুরুষরাই সম্ভবত এই পথে বেশি পা বাড়ান। তবে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক গবেষণা এবং সমাজতাত্ত্বিক সমীক্ষাগুলো এই চিরাচরিত ধারণায় বড়সড় বদল এনেছে। গবেষকদের মতে, পরকীয়ায় জড়ানোর হারের ক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলাদের ব্যবধান এখন আগের চেয়ে অনেক কমে এসেছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার করা সমীক্ষা বলছে, পুরুষদের ক্ষেত্রে পরকীয়ায় জড়ানোর প্রধান কারণ হিসেবে কাজ করে শারীরিক আকাঙ্ক্ষা বা বৈচিত্র্যের খোঁজ। অন্যদিকে, মহিলারা সাধারণত পরকীয়ায় জড়ান মানসিক একাকীত্ব বা বর্তমান সম্পর্কে গুরুত্ব না পাওয়ার কারণে। তবে আধুনিক যুগে পেশাদারী জীবনে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা তাঁদের এই ধরণের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।
গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, বয়সের একটি নির্দিষ্ট স্তরে (সাধারণত ৩৫ থেকে ৪৫-এর মধ্যে) পরকীয়ার প্রবণতা সবথেকে বেশি দেখা যায়। তবে কে বেশি এগিয়ে—এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেওয়া কঠিন হলেও, ডেটিং অ্যাপ ও গোপন চ্যাট সার্ভে বলছে, এখনকার সময়ে পুরুষ ও মহিলা প্রায় সমানে সমান। অর্থাৎ, কেবল লিঙ্গ নয় বরং মানসিক অতৃপ্তি এবং পরিস্থিতির ওপরই নির্ভর করে সম্পর্কের এই জটিল মোড়।