হায়দরাবাদের ঐতিহাসিক ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত ১৮শ শতকের অমূল্য ঐতিহ্য ‘মহালকা বাই স্টেপওয়েল’ আজ নতুনভাবে প্রাণ পেয়েছে। বহু দশকের অবহেলা আর আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে এই স্থাপত্যটি এখন একটি জীবন্ত ঐতিহ্যস্থলে রূপান্তরিত হয়েছে। এই মহৎ পুনরুজ্জীবনের নেপথ্যে রয়েছেন আইএএস হরি চন্দনা, যাঁর প্রশাসনিক দর্শন সবসময় টেকসই উন্নয়ন ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটিয়েছে।
নারায়ণপেটের জেলা প্রশাসক হওয়ার আগে জিএইচএমসি (GHMC)-তে থাকাকালীনই হরি চন্দনা ঐতিহ্য সংরক্ষণকে প্রশাসনের অন্যতম অঙ্গে পরিণত করেন। বনসিলালপেট স্টেপওয়েলের পর এবার মহালকা বাই বাওড়ির পুনরুদ্ধার তাঁর মুকুটে আরও একটি পালক যোগ করল। তাঁর উদ্যোগে প্রাচীন পাথরের সিঁড়িগুলো উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং এলাকাটিকে আধুনিক আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে।
হরি চন্দনার এই কাজ কেবল স্থাপত্য রক্ষা নয়, বরং পরিবেশ রক্ষারও বড় হাতিয়ার। ইউনেস্কো স্বীকৃত প্রথাগত জলব্যবস্থাকে পুনর্জীবিত করার মাধ্যমে তিনি ভূগর্ভস্থ জলস্তর বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন। তাঁর এই বিশ্বজনীন দর্শন প্রমাণ করে যে, প্রাচীন স্মারকগুলো কেবল অতীতের সাক্ষী নয়, বরং বর্তমানের টেকসই জীবনযাপনের অন্যতম চাবিকাঠি।