গ্রেটার নয়ডায় ফের পরিকাঠামোর কঙ্কালসার চেহারা সামনে এল। এবার একটি পুকুর হয়ে উঠল তিন বছরের শিশুর মরণফাঁদ। মা-বাবার সঙ্গে মন্দিরে পুজো দিতে এসে প্রাণ হারাল খুদে দেবাংশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে ছিল। চারপাশে কোনও সুরক্ষা বেষ্টনী বা সতর্কবার্তা না থাকায় বোঝার উপায় ছিল না যে সেখানে গভীর জলের আধার রয়েছে।
অনিল ও অঞ্জলি দম্পতি তাঁদের সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ির পাশের মন্দিরে গিয়েছিলেন। ভিড়ের মধ্যে আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যায় দেবাংশ। খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পুলিশে খবর দিলে ডুবুরি নামানো হয়। প্রায় এক ঘণ্টার তল্লাশির পর পুকুরের গভীর থেকে উদ্ধার হয় শিশুটির নিথর দেহ। খেলতে খেলতে সবার নজর এড়িয়ে সে পুকুরে পড়ে গিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে।
এই ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। কয়েক সপ্তাহ আগেই গ্রেটার নয়ডাতে এক ইঞ্জিনিয়ার গাড়ি সমেত কুয়োয় পড়ে মারা যান। দিল্লিতেও একইভাবে গর্তে পড়ে মৃত্যু হয় এক ব্যাংক কর্মীর। একের পর এক এমন ঘটনার পরও কেন টনক নড়ছে না প্রশাসনের? প্রশ্ন তুলছেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা। পুলিশ এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ বললেও পরিকাঠামোগত ত্রুটির কথা মেনে নিয়েছে।