মহাশিবরাত্রি ২০২৬ উপলক্ষ্যে সেজে উঠেছে শৈবতীর্থ তারকেশ্বর। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই পবিত্র তিথিতে দেবাদিদেব মহাদেবের আরাধনায় ব্রতী হয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা বাঁকে করে গঙ্গার জল নিয়ে তারকেশ্বরে পৌঁছাচ্ছেন। ভক্তদের এই ঢল সামলাতে এবং পুজোর আচার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মন্দির কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ সন্ধ্যায় তারকেশ্বর মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ আরতি ও মহোৎসব। মন্দির সূত্রে জানানো হয়েছে, শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে আজ চার প্রহরে মহাদেবের চারবার অভিষেক করা হবে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে মন্দিরের পরিবেশ হবে এক মায়াবী ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতায় পূর্ণ। আজ সারারাত মন্দির চত্বর ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানা গেছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, আগামীকাল অর্থাৎ শিবরাত্রির মূল দিনে ভক্তরা কতক্ষণ গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন? মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামীকাল ভক্তদের সুবিধার্থে গর্ভগৃহ প্রবেশের সময়সীমা কিছুটা বাড়ানো হতে পারে। তবে নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের খাতিরে সাধারণত দুপুর ২টো থেকে ৩টের মধ্যে গর্ভগৃহ সাধারণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলে। এরপর আবার বিকেলের পর থেকে বিশেষ পুজোর বিধি শুরু হবে। যারা আগামীকাল পুজো দিতে চাইছেন, তাদের ভোরে বা খুব সকালে লাইনে দাঁড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
নিরাপত্তার খাতিরে গোটা মন্দির চত্বর সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। মোতায়েন থাকছে কয়েকশো পুলিশ কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক। পানীয় জল ও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে তীর্থযাত্রীদের জন্য।