দেশের রাজধানীতে ঘটে যাওয়া একটি চাঞ্চল্যকর খুনের মামলার কিনারা করল দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। দীর্ঘ তল্লাশির পর অবশেষে উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত জুনায়েদ খানকে। এই খুনের ঘটনার বীভৎসতা এবং পুলিশের তদন্তের কৌশল—উভয়ই সাধারণ মানুষের নজর কেড়েছে। নিহতের মাথায় একাধিক গভীর ক্ষতের চিহ্ন দেখে প্রাথমিকভাবেই পুলিশ নিশ্চিত ছিল যে, এটি অত্যন্ত আক্রোশ থেকে ঘটানো একটি হত্যাকাণ্ড।
তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ ওই এলাকার প্রায় ২৫০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অভিযুক্ত অপরাধ করার পর গা ঢাকা দেওয়ার জন্য দ্রুত স্থান পরিবর্তন করছে। ডিজিটাল নজরদারি এবং গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে যে, জুনায়েদ শামলিতে আত্মগোপন করে আছে। এরপর উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সহায়তায় একটি বিশেষ টিম গঠন করে অভিযান চালানো হয় এবং জুনায়েদকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত জুনায়েদকে জেরা করে খুনের আসল উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা চলছে। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রমাণ জোগাড় করেছে প্রশাসন। রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন এই দ্রুত সাফল্য পুলিশি তৎপরতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্তকে দিল্লি নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং শীঘ্রই তাকে আদালতে পেশ করা হবে।