২০২৪-এর অগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ২০২৬-এর নির্বাচনে বাংলাদেশে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করলে তা ভারতের জন্য ‘বেস্ট-কেস সিনারিও’ বা সেরা বিকল্প হতে পারে। দীর্ঘদিনের শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে দিল্লি এখন বিএনপির মধ্যে এক স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক প্রতিবেশীর সম্ভাবনা দেখছে। তারেক রহমান সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর দর্শন— ‘নট দিল্লি, নট পিন্ডি, বাংলাদেশ বিফোর এভরিথিং’।
ভারতের জন্য বড় লাভের জায়গা হলো উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা এবং বছরে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। বিএনপি নিজেকে এখন একটি উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষ দল হিসেবে তুলে ধরছে এবং জামায়াতের মতো উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর থেকে দূরত্ব বজায় রাখছে। এতে বাংলাদেশে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রভাব এক ধাক্কায় অনেকটা সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিপূর্বেই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রগতিশীল বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দিল্লির আশা, তারেক রহমানের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের হাতকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।