ডিপফেক বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পরিচয় জালিয়াতির হুমকি যে হারে বাড়ছে, ঠিক সেভাবেই উন্নত হচ্ছে তা মোকাবিলার প্রযুক্তিও। সম্প্রতি ‘দ্য হিন্দু টেক সামিট ২০২৬’-এ অংশ নিয়ে এমনটাই জানালেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। ‘দ্য হিন্দু’ এবং ভিআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই আলোচনায় উঠে এসেছে এআই-চালিত বর্তমান বিশ্বে সাইবার ঝুঁকি ও পুনরুদ্ধারের নানা দিক।
সাউদারল্যান্ডের ডিরেক্টর বিনোদ আর জানান, বর্তমানে এআই-এর মাধ্যমে খুব সহজে এবং স্বল্প খরচে পরিচয় জালিয়াতি করা সম্ভব হচ্ছে। এই জালিয়াতদের হাত থেকে বাঁচতে শুধুমাত্র একটি ছবি বা ভিডিওর ওপর ভরসা না করে ‘মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ এবং একাধিক সংকেত বিশ্লেষণের ওপর জোর দিতে হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী দিনে ডিপফেকের দাপট বাড়লেও জনসচেতনতা বাড়িয়ে একে রোখা সম্ভব। টিভিএস মোবিলিটি এবং এপিমনি-র মতো শীর্ষস্থানীয় সংস্থার আধিকারিকরা মনে করেন, ব্যাংকিং থেকে শুরু করে কর্পোরেট—সব ক্ষেত্রেই কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং এআই-কে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা এখন সময়ের দাবি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই-কে একটি বাস্তব সত্য হিসেবে মেনে নিয়ে সংস্থাগুলিকে তাদের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে। সাইবার নিরাপত্তার লড়াইয়ে যেমন এআই ব্যবহৃত হচ্ছে, তেমনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মানুষের হস্তক্ষেপ বা হিউম্যান ইন্টারভেনশন এখনও অপরিহার্য।