বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের ঠিক আগেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন ভারত। কট্টরপন্থীদের ক্রমবর্ধমান দাপট এবং সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক হামলার জেরে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের রসায়ন তলানিতে ঠেকেছে। বিশেষ করে গত ১২ ডিসেম্বর ছাত্রনেতা শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠেছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাফ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের ঘরবাড়ি ও মন্দিরে উগ্রপন্থীদের হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই হিংসাকে ‘ব্যক্তিগত শত্রুতা’ বলে ঢাকার দায় এড়ানোর চেষ্টা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে।
নয়াদিল্লি এই পরিস্থিতিকে বর্তমানে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং হিসেবে গণ্য করছে, যা সাধারণত অত্যন্ত বিপজ্জনক বা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে করা হয়। তবে পরিবারের সদস্যদের ফেরানো হলেও ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেটের ভারতীয় মিশনগুলো সচল থাকছে। ভোটপূর্ববর্তী এই চরম অস্থিরতায় ভারতীয়দের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই মোদি সরকারের এই বড় সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।