নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে যে এমন বিষাদ নেমে আসবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি হায়দরাবাদের জগদগিরিগুটা এলাকার বাসিন্দারা। বুধবার রাতে জমিয়ে নিউ ইয়ার পার্টি করার পর বৃহস্পতিবার এক প্রৌঢ়ের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১১ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভেজাল মদ নাকি খাবারে বিষক্রিয়া—ঠিক কী কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা, তা নিয়ে ধন্দে পুলিশ।
কী ঘটেছিল সেই রাতে? পুলিশ সূত্রে খবর, স্থানীয় একটি কমিউনিটি হলে বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে বনভোজনের আয়োজন করেছিলেন। মেনুতে ছিল চিকেন বিরিয়ানি, মাছের ঝোল ও রুটি। খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি চলে দেদার মদ্যপান। সারারাত হুল্লোড় সেরে সকালে সকলে বাড়ি ফিরলেও দুপুর থেকে শুরু হয় বিপত্তি। অসহ্য পেট ব্যথা ও বমির উপসর্গ নিয়ে একে একে অচৈতন্য হয়ে পড়েন অনেকে।
তদন্তে ফরেনসিক টিম: গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ৯ জনকে মল্লা রেড্ডি হাসপাতালে এবং ২ জনকে রাম দেব হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫৩ বছর বয়সী রমেন পান্ডুর মৃত্যু হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, রান্নায় ব্যবহৃত মশলা বা মদ্যপানের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল বিপদ। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাঝপথে মশলা ফুরিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় দোকান থেকে কিছু গুঁড়ো মশলা আনা হয়েছিল। তদন্তকারীরা রান্নার অবশিষ্টাংশ এবং মদের নমুনা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী পুলিশ কমিশনার নরেশ রেড্ডি।