ভারতীয় রেলের মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। দেশের প্রথম সেমি-হাইস্পিড স্লিপার ট্রেন ‘বন্দে ভারত’ সফলভাবে পার করল তার কঠিনতম পরীক্ষা। কোটা থেকে নাগদা পর্যন্ত ট্রায়াল রানের সময় বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার গতিবেগে ছুটল। এই গতির মধ্যেও ট্রেনের স্থিতিশীলতা পরীক্ষা করতে নেওয়া হয়েছিল ‘ওয়াটার টেস্ট’, যার ফলাফল দেখে তাজ্জব গোটা দেশ।
কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে এই পরীক্ষার একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ট্রেনের জানলার পাশে একটির ওপর একটি জলভর্তি গ্লাস রাখা রয়েছে। ট্রেনের স্পিডোমিটারে যখন ১৮২ কিমি গতিবেগ দেখাচ্ছে, তখনও গ্লাসের জল এক ফোঁটাও চলকে নিচে পড়ছে না। রেলমন্ত্রী লিখেছেন, “কমিশনার রেলওয়ে সেফটি আজ বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের পরীক্ষা করলেন। আমাদের ওয়াটার টেস্ট প্রমাণ করল নতুন প্রজন্মের ট্রেনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্ষমতা।”
বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের এই নতুন সংস্করণটি দীর্ঘপাল্লার রুটের জন্য তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে বন্দে ভারতের চেয়ার কারের সর্বোচ্চ অপারেটিং স্পিড ১৬০ কিমি হলেও, এই স্লিপার ভার্সন ১৮০ কিমি গতিতে চলার ক্ষমতা রাখে। ২০২৬ সাল থেকেই সাধারণ যাত্রীরা এই ট্রেনের সুবিধা পাবেন। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত মানের সাসপেনশন ব্যবহারের ফলে তীব্র গতিতেও যাত্রীরা পাবেন মসৃণ ভ্রমণের অনুভূতি।