শিয়ালদহ ডিভিশনে বর্তমানে মাত্র দুটি রেক ব্যবহার করে দৈনিক চারটি এসি লোকালের পরিষেবা চালু রয়েছে। শীতের মরসুমে যাত্রী সংখ্যায় কিছুটা ওঠানামা থাকলেও, এই বাতানুকূল লোকাল ট্রেনের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। যাত্রীদের পক্ষ থেকে এই আরামদায়ক পরিষেবার প্রতি বাড়তি আগ্রহ দেখে রেল আগামী দিনে এই ধরনের ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর কথা ভাবছে।
পূর্ব রেলের দাবি ও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা:
-
ইতিমধ্যেই পূর্ব রেল আরও পাঁচটি বাতানুকূল রেকের জন্য রেল বোর্ডের কাছে দাবি জানিয়েছে।
-
নতুন রেকগুলি হাতে পেলে হাওড়া ডিভিশনেও কিছু রুটে বাতানুকূল লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করা সম্ভব হবে।
-
পাশাপাশি, শিয়ালদহ ডিভিশনেও বর্তমান এসি লোকালের সংখ্যা বাড়ানো যাবে।
-
শিয়ালদহ উত্তর এবং মেন শাখায় আরও নতুন এসি ট্রেন চালুর কথা ভাবছেন রেলকর্তারা।
বর্তমান রুটে যাত্রী সাড়া:
যাত্রীদের আগ্রহের ভিত্তিতে শিয়ালদহ ডিভিশন বাতানুকূল লোকাল পরিষেবার সম্প্রসারণে আগ্রহী। চালু রুটগুলিতে দারুণ সাড়া মিলছে:
| রুট | যাত্রী সাড়া (প্রায়) |
| শিয়ালদহ-বনগাঁ-রানাঘাট | ১০০ শতাংশের বেশি |
| শিয়ালদহ-রানাঘাট | ৮০-৯০ শতাংশ |
| শিয়ালদহ-কল্যাণী | ইতিবাচক সাড়া |
| শিয়ালদহ-কৃষ্ণনগর সিটি | কম হলেও রেল আশাবাদী (পর্যটক-নির্ভর) |
শিয়ালদহ শাখার সুবিধা:
রেল সূত্রের খবর, শিয়ালদহ শাখায় লোকাল ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা হাওড়ার তুলনায় অনেক ভালো। এর প্রধান কারণ হলো:
-
এখানে নির্দিষ্ট যাত্রীবাহী ট্র্যাক রয়েছে।
-
হাওড়ার তুলনায় পণ্যবাহী ট্রেনের চাপ কম।
এই সুবিধা বিবেচনা করে সাধারণ লোকাল ট্রেনের ভিড় কমানোর পাশাপাশি আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য বাতানুকূল পরিষেবার প্রসার ঘটানোই রেলের মূল উদ্দেশ্য। মেট্রো পরিষেবার সম্প্রসারণও এই এসি লোকাল নিয়ে যাত্রীদের আগ্রহকে আরও বাড়াচ্ছে। তবে, এই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করার আগে স্থানীয় দাবিদাওয়া এবং প্রয়োজনগুলিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।