অসুস্থ হলেই বর্ধমান নয়! গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়নে সবুজ সংকেত, মিলবে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা

পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার প্রায় লক্ষাধিক মানুষের জন্য সুখবর। ছোটখাটো অসুস্থতার জন্য আর ৩০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পেরিয়ে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটতে হবে না। কারণ, স্থানীয় গুসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হতে চলেছে। এই উন্নয়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন এলাকার মানুষ।
অবস্থানগতভাবে গুসকরা স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুসকরা ছাড়াও আউশগ্রাম এবং ভাতারের একটি বড় অংশের বাসিন্দারা এই কেন্দ্রের উপর নির্ভরশীল। অথচ দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিকাঠামো এবং সুযোগ-সুবিধার অভাবে রোগীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবি ছিল দীর্ঘদিনের।
বুধবার গুসকরা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে এসে সেই দাবি পূরণের আশ্বাস দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার। তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে কঙ্কালসার চেহারার এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবা নিয়ে তীব্র অসন্তুষ্ট ছিলেন। প্রতিদিন বহির্বিভাগে শতাধিক রোগী এলেও পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবে তাঁদের সমস্যায় পড়তে হতো।
পরিদর্শন শেষে সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, “সব দিক পরিদর্শন করা হল। খুব শিগগিরই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিকাঠামো উন্নয়ন শুরু হবে। সাধারণ মানুষ যাতে আরও ভালো পরিষেবা পান, সেই লক্ষ্যে জেলা পরিষদ উদ্যোগ নিচ্ছে।” এই পরিদর্শনে সভাধিপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গুসকরা পৌরসভার পৌরপ্রধান কুশল মুখোপাধ্যায়, আউশগ্রাম ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তাপস চট্টোপাধ্যায় এবং জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়-সহ অন্যান্য আধিকারিকেরা। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, এই উন্নয়ন কাজ শুরু হলে তাঁদের বহুদিনের ভোগান্তি দূর হবে।