বিহারে মন্ত্রীপদ বণ্টন ঘিরে জোর জল্পনা! BJP-JDU-এর মধ্যে কি ৫০-৫০ ফর্মুলা? মোদিও থাকতে পারেন শপথ অনুষ্ঠানে!

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে এনডিএ জোটের ক্ষমতা ধরে রাখার পর, আজ, সোমবার, মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মন্ত্রিসভার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকেন। এই বৈঠকের পরই তিনি রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিলেন। এর মধ্য দিয়েই তিনি এনডিএ জোটের নেতা হিসেবে নতুন সরকার গঠনের দাবিও জানিয়েছেন।

রবিবার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা রাজভবনে নির্বাচিত বিধায়কদের তালিকা জমা দেওয়ার পরই রাজ্যে কার্যকর আদর্শ আচরণবিধি বিকেল ৫টা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এর ঠিক পরেই আজ পদত্যাগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। যেহেতু এনডিএ জোট স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে, তাই রাজ্যপাল খুব শীঘ্রই জোটকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান: গান্ধি ময়দানে মোদি?
নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পটনার ঐতিহাসিক গান্ধি ময়দানে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও উপস্থিত থাকতে পারেন। এই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে পটনা জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই ১৭ থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত গান্ধি ময়দান সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধের ঘোষণা করেছে।

মন্ত্রিসভা বণ্টন নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা
রবিবার দিনভর পটনায় দফায় দফায় চলেছিল রাজনৈতিক বৈঠক। বিহার বিজেপি সভাপতি দিলীপ জয়সওয়াল ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের সঙ্গে দেখা করেন। পরবর্তীতে জেডিইউ-র জাতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি সঞ্জয় কুমার ঝা তিন ঘণ্টা দীর্ঘ বৈঠকে মন্ত্রিসভা গঠনের বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা করেন।

নতুন সরকারে মন্ত্রী পদ বণ্টন নিয়েই এখন মূলত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। বিশেষত, কোন দলে কতজন মন্ত্রী থাকবেন এবং কোন গুরুত্বপূর্ণ দফতর কার হাতে যাবে, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, বিজেপি ও জেডিইউর মধ্যে ৫০-৫০ ফর্মুলা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে আগের জোট সরকারের মতোই আসন বণ্টন হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি, এলজেপি (LJP), এইচএএম (HAM), আরএলডি (RLD)-সহ এনডিএ-র অন্যান্য মিত্র দলগুলিও মন্ত্রিসভায় ন্যায্য প্রতিনিধিত্বের দাবি জানিয়েছে। ফলে নয়া মন্ত্রিসভার কাঠামো কেমন হতে চলেছে, সেদিকেই এখন সবার নজর।