বিহার ভোটে মোদী-শাহের পাল্টা বার্তা! রাহুল গান্ধীর ‘ভোটচুরি’ অভিযোগ খারিজ, জে.পি. নাড্ডার তোপ

বৃহস্পতিবার বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলির নেতাদের মধ্যে কথার লড়াই তুঙ্গে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভোটারদের সকাল সকাল ভোট দেওয়ার আবেদন জানানোর পাশাপাশি, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও বিহারের জনগণের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দেন।
রাহুল গান্ধীর ‘Gen Z’দের প্রতি আবেদন: বুধবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে হরিয়ানায় ভোট চুরির অভিযোগ তোলার পরই রাহুল গান্ধী বিহারের তরুণ ভোটারদের লক্ষ্য করে বার্তা দেন। X হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “বিহারের তরুণ বন্ধুরা, আমার Gen Z ভাইবোনেরা, আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) শুধুমাত্র একটা ভোট দেওয়ার দিন নয়, এটা বিহারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করার দিন।” তিনি তরুণ ভোটারদের মহাজোটকে জয়ী করার আহ্বান জানান। লোকসভার বিরোধী দলনেতা তাঁর ভিডিও বার্তায় অভিযোগ করেন যে বিজেপি হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র ও ছত্তিশগড়ে সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর দাবিয়ে রাখতে চাইছে এবং এবার তাদের নজর বিহারের দিকে। তিনি সতর্ক করেন, “প্রত্যেক বুথে সমস্ত রকম ষড়যন্ত্র, মগজধোলাই থেকে সাবধান থাকুন। সতর্ক নাগরিকই গণতন্ত্রের মূল সম্পদ। ‘ভোটচুরি, সরকার চুরি’ রুখুন, ষড়যন্ত্রকে হারিয়ে দিন।”
বিজেপির জবাব: অন্যদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক জে.পি. নাড্ডা রাহুলের ‘ভোটচুরি’র অভিযোগকে কটাক্ষ করে বলেন, বিহার নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের আভাস পেয়েই রাহুল নজর ঘোরানোর কৌশল নিচ্ছেন।
অমিত শাহের বার্তা: প্রথম দফার ভোটের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিহারের ভোটার, বিশেষত যুব সম্প্রদায়কে বিপুল সংখ্যায় ভোট দিতে অনুরোধ করেন। তাঁর বক্তব্য, “আপনার একটি ভোট বিহারে জঙ্গলরাজ ফিরিয়ে আনার পথে বাধা সৃষ্টি করবে। সুশাসন জিইয়ে রাখবে এবং নতুন, উন্নত ও স্বনির্ভর বিহার গড়বে।” শাহ বিরোধীদের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী ও নকশালদের সাহায্য করে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অভিযোগও তোলেন।