সম্প্রতি মিড-ডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে, ‘শারারত ২’ নিয়ে আলোচনা চলছে। বোহরা বলেন, “অনেক আলোচনা চলছে… ‘শারারত ২’ নিয়ে অনেক কথা চালাচালি হয়েছে। আশা করি, ২০২৬ সালে আপনাদের জন্য একটি চমক থাকতে পারে।” ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চলা এই শো-তে ফরিদা জালাল, শ্রুতি শেঠ এবং মহেশ ঠাকুরও অভিনয় করেছিলেন।
‘শারারত’ সিনেমা হলে ‘ধ্রুব’ চরিত্রে তাঁকেই চাই:
যদি ‘শারারত’-কে সিনেমা হিসেবে তৈরি করা হয়, তবে ‘ধ্রুব’ চরিত্রে কে অভিনয় করবেন—এই প্রশ্নের উত্তরে বোহরা আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বলেন, “যদি ‘শারারত’ সিনেমা হয়, আমার মনে হয় আমিই সেরা ধ্রুব হিসেবে অভিনয় করব, কোনো সন্দেহ নেই।”
তিনি আরও বলেন, “‘শারারত’ যদি আসে, তবে তা দারুণ হবে, কারণ দর্শকরা ধ্রুব, জিয়া, পাম, রাজা এবং মিতার সঙ্গে নিজেদের একাত্ম করতে পারে। আমার মনে হয় আমাদের সবারই নিজেদের চরিত্র বজায় রেখে এই ছবিটি করা উচিত।”
চলমান কাজ এবং মাইক্রো-ড্রামা:
বর্তমানে করণবীর বোহরা বেশ কিছু মাইক্রো-ড্রামা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। মাইক্রো-ড্রামা এবং ওয়েব সিরিজের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যখন ওয়েব সিরিজ এসেছিল, তখন লোকে ভেবেছিল তারা সিনেমার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে। কিন্তু তা ভুল প্রমাণিত হয়েছিল।”
তিনি যোগ করেন যে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম ঐতিহ্যবাহী টিভি বা সিনেমার জায়গা নেয়নি, বরং সেগুলোর সঙ্গে সহাবস্থান করছে। তিনি আরও বলেন, “দর্শকদের আপনি যা দেবেন, তারা সেটাই দেখবে।”





