পুজোর আগে নিজেকে সুস্থ রাখার গোপন রহস্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী নবনীতা দে!

আর ক’দিন পরেই দুর্গাপুজো, আর এই উৎসবের মরসুমে মায়েদের উপর চাপ থাকে সবচেয়ে বেশি। অভিনেত্রী নবনীতা দে ইটিভি ভারত লাইফস্টাইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানালেন, কীভাবে মা হয়েও সুস্থ থাকা যায় এবং ত্বক ও শরীরের যত্ন নেওয়া যায়। তিনি জোর দিয়েছেন মায়েদের সুস্থ থাকার ওপর, কারণ মায়েরাই পরিবারের খুঁটি।

নবনিতার মতে, সন্তানকে সুস্থ রাখতে মায়ের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখাটা খুবই জরুরি। কারণ, মা সুস্থ না থাকলে পুরো পরিবারের যত্নের দায়িত্ব কে নেবে? মায়েদের সুস্থ থাকতে হলে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং নিজেদের হাইড্রেটেড রাখা দরকার।

নবনীতা বলেন, “যখন একটি বাচ্চা হয়, তখন শরীর অর্ধেক ভেঙে যায়। তাই ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের শরীরচর্চা করাটা ভীষণ প্রয়োজন।” তিনি প্রতিদিন অন্তত ৩০-৪০ মিনিট ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ ও যোগা করার পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, খাওয়া এবং ঘুমের মতোই শরীরচর্চাটাও জীবনের একটি জরুরি অংশ।

ডায়েট সম্পর্কে নবনীতা একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। তিনি বলেন, প্রত্যেকের শারীরিক গঠন ও হরমোনের ভারসাম্য আলাদা। তাই নিজে থেকে ডায়েট না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ, একজন ডাক্তারই ভালো করে জানেন কার শরীরের জন্য কী প্রয়োজন। তিনি নিজেও সন্ধ্যার মধ্যে খাবার খেয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁর মতে, রাতের খাবার তাড়াতাড়ি খেলে শরীর ভালো থাকে।

অভিনেত্রী হিসেবে ত্বক ভালো রাখা নবনীতার জন্য অপরিহার্য। তবে তিনি পার্লার নয়, বরং ঘরোয়া টোটকাতেই বেশি বিশ্বাস করেন। তাঁর কথায়, “আমি সবসময় ঘরোয়া জিনিস ব্যবহার করার চেষ্টা করি। যেমন- চাল, ডাল দিয়ে স্ক্রাবিং, বেসন ও দই ব্যবহার করি।” বাড়ির কাজের চাপের মধ্যে নিজেকে সময় দেওয়া কঠিন হলেও, তিনি মনে করেন সবকিছুর পরেও নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করা উচিত।

সবশেষে, নবনীতা পুজোতে আনন্দ করার জন্য সারা বছর নিজেকে ফিট রাখার পরামর্শ দেন, যাতে উৎসবের সময় একটু বেশি খাওয়া-দাওয়া করলেও কোনো সমস্যা না হয়। তিনি বলেন, “মা সুস্থ না থাকলে সন্তানও সুস্থ থাকবে না। মা যদি না খায়, তাহলে সবকিছুই বন্ধ।”