বিপুল জনপ্রিয়তা সত্ত্বেও কেন খুশি নন বীরভূমের ‘তাঁত গ্রামের’ শিল্পীরা? কারণ কী?

পশ্চিমবাংলার তাঁত শিল্পের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত নদীয়ার শান্তিপুর বা হুগলির ধনেখালি। কিন্তু এবার সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হয়েছে বীরভূমের একটি গ্রাম— আবাডাঙ্গা। লাভপুর থানার এই ছোট্ট গ্রামটি বর্তমানে জেলার অন্যতম তাঁত গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
আবাডাঙ্গা গ্রামের প্রায় ৯৫% পরিবার তাঁত শিল্পের সঙ্গে জড়িত। গ্রামটিতে প্রায় ১৫০টি পরিবারের প্রধান জীবিকা এই তাঁত শিল্প। বংশপরম্পরায় এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রেখেছে গ্রামের মানুষ।
গ্রামের তাঁতিদের কথায়, তারা মূলত নিরুপায় হয়ে এই পেশায় ফিরে এসেছেন। লেখাপড়া করেও চাকরি না পাওয়ার হতাশায় তারা তাদের পৈতৃক পেশাকেই আঁকড়ে ধরেছেন। এই শিল্পীরা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি করেন।
রাজ্য সরকারের হস্তশিল্পকে উৎসাহ দিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে আবাডাঙ্গা গ্রামে তাঁত শিল্পীদের জন্য একটি বিশাল আকারের হ্যান্ডলুম ঘর তৈরি করা হয়েছে। সেখানে একসঙ্গে অনেক শিল্পী তাঁত বুনতে পারেন। এই উদ্যোগটি তাঁতিদের কাজ করার সুবিধা বাড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে আবাডাঙ্গা গ্রামটি শুধুমাত্র একটি ঐতিহ্যবাহী তাঁত গ্রাম নয়, বরং এটি কর্মসংস্থানহীন যুবকদের জন্য এক নতুন আশার আলো।