চাহালের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ‘গোল্ড ডিগার’ তকমা পেয়েও বিচলিত নন ধনশ্রী, উলটে নিজেই করলেন মশকরা!

ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর কোরিওগ্রাফার ধনশ্রী বর্মা তীব্র ট্রোলিংয়ের শিকার হন এবং তাকে ‘গোল্ড ডিগার’ তকমা দেওয়া হয়। তবে এসব কটাক্ষে তিনি যে একেবারেই পাত্তা দেন না, তা সম্প্রতি এক রিয়েলিটি শো-তে প্রমাণ করেছেন। উলটো তিনি বিষয়টিকে মজার ছলে নিয়েছেন।
রিয়েলিটি শো-তে মজার ছলে কটাক্ষের জবাব
সম্প্রতি একটি রিয়েলিটি শো ‘রাইজ অ্যান্ড ফল’-এর আসন্ন পর্বের প্রোমোতে দেখা যায়, প্রতিযোগীদের দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে এবং তাদের ২ লক্ষ টাকার সোনার ব্যাগ অথবা ১ লক্ষ টাকার রুপোর ব্যাগের মধ্যে একটি বেছে নিতে বলা হয়েছে। সেখানে ধনশ্রী অভিনেতা অর্জুন বিজলানির সঙ্গে জুটি বাঁধেন। মজার ছলে অর্জুন বলেন, “দেখো, আমাকে হিরে বা রূপো কোনোটাই মানায় না। আমাকে শুধু সোনা মানায়।” এর জবাবে ধনশ্রীর প্রতিক্রিয়া কী ছিল, তা প্রোমোতে দেখা না গেলেও, তার হাসি থেকেই বোঝা যায় যে তিনি এই কটাক্ষকে একেবারেই গুরুত্ব দেন না।
বিচ্ছেদ ও ট্রোলের প্রেক্ষাপট
২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুজবেন্দ্র চাহাল এবং ধনশ্রী বর্মার পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ডিভোর্সের পর থেকে সামাজিক মাধ্যমে ধনশ্রীকে তীব্র ট্রোলের মুখে পড়তে হয়। বিশেষ করে ডিভোর্সের শুনানির দিন চাহালের টি-শার্টে লেখা ‘বি ইয়োর ওন সুগার ড্যাডি’ বার্তাটি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। খোরপোশ হিসেবে ধনশ্রী ৪.৭৫ কোটি টাকা নেওয়ার খবর সামনে আসার পর তাকে ‘গোল্ড ডিগার’ বলে উপহাস করা হয়।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ধনশ্রী এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। তিনি স্বীকার করেন যে চাহালের টি-শার্টের লেখাটি দেখে তিনি অবাক হয়েছিলেন। তিনি জানান, আদালতের শেষ দিনে তিনি খুব ভেঙে পড়েছিলেন। কিন্তু গাড়ি থেকে সেই টি-শার্টের লেখা দেখে তিনি বুঝতে পারেন যে বৃথাই তিনি এত কষ্ট পাচ্ছেন। ধনশ্রী আরও বলেন, তিনি এখন নতুন করে জীবন শুরু করতে প্রস্তুত এবং অতীতের দিকে ফিরে তাকাতে চান না।