বিয়ের সঙ্গে ক্যান্সারের সম্পর্ক, এক গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য!

বিয়ের সঙ্গে ক্যান্সারের কী সম্পর্ক? নিশ্চয়ই এমনটিই ভাবছেন! সাম্প্রতিক এক গবেষণা বিয়ের সঙ্গে পাকস্থলীর ক্যান্সারের এক গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে, যা বেশ চমকপ্রদ।

৩ হাজার গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে এই গবেষণা পরিচালিত হয়। এই রোগীদের প্রত্যেকেই ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ে ছিলেন। সম্প্রতি ‘ইনভেস্টিগেটিভ জার্নাল’-এ প্রকাশিত এক গবেষণার তথ্য জানাচ্ছে, যারা অবিবাহিত বা যাদের জীবনসঙ্গী নেই, তাদের ক্ষেত্রে পাকস্থলীর ক্যান্সারে মৃত্যু হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।

চিনা বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, ৭২ শতাংশ বিবাহিত পুরুষ ও নারীদের গ্যাস্ট্রিক ক্যান্সার ধরা পড়ার পর অবিবাহিতদের তুলনায় ৫ বছর বেশি বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে। এটি এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য।

কেন বিবাহিতদের সুস্থতার হার বেশি?
গবেষকদের মতে, এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ থাকতে পারে:

মানসিক সমর্থন: জীবনসঙ্গী পাশে থাকলে সবাই সুখ অনুভব করেন। অসুস্থতার সময় জীবনসঙ্গীর মানসিক সমর্থন রোগীকে ভেঙে পড়তে দেয় না।
যত্ন ও পরিচর্যা: অসুখ হলে ওষুধ খাওয়ানো থেকে শুরু করে অন্যান্য সেবা একজন জীবনসঙ্গীর মাধ্যমে সহজেই পাওয়া সম্ভব। ফলে রোগী সঠিক যত্ন পান।
দ্রুত রোগ নির্ণয়: গবেষণায় দেখা গেছে, যারা বিবাহিত তাদের ক্ষেত্রে যেকোনো রোগ আগেই ধরা পড়েছে। শরীরে কোনো রকম সমস্যা হলে অবিবাহিত বা একা থাকা ব্যক্তিরা অনেক সময় ততটা গুরুত্ব দেন না, যার ফলে রোগ গুরুতর পর্যায়ে চলে যায়। বিবাহিতদের ক্ষেত্রে রোগ দ্রুত ধরা পড়ায় চিকিৎসা পদ্ধতিও দ্রুত চালু করা সম্ভব হয়েছে।
আর্থিক ও মানসিক শক্তি: বিবাহিতরা আর্থিক ও মানসিক দু’দিক দিয়েই রোগের সঙ্গে লড়াই করার বেশি সামর্থ্য রাখেন।