ঋতু পরিবর্তনের কারণে কম-বেশি সবাই ঠান্ডার সমস্যায় পড়ে থাকেন। এ সময় ঠান্ডা আবহাওয়া ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় অনেকেই সর্দি-কাশিতে ভোগেন। সাইনোসাইটিস কিংবা ধুলাবালির জন্য বা অ্যালার্জির সমস্যাও বেড়ে গিয়ে থাকে।
এসব কারণে অনেক সময় অল্প ঠান্ডা বা সর্দিতে নাক বন্ধভাব হয়ে যায়। এটা খুবই বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক। এ সমস্যা যদি দুই সপ্তাহের বেশি সময় থাকে তাহলে চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন। তবে এর কম সময় হলে চাইলে ঘরোয়াভাবে সুস্থ রাখতে পারেন নিজেকে। এবার তাহলে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়েব এমডির বরাত নাক বন্ধ হওয়া থেকে মুক্তির বিষয়গুলো জেনে নেয়া যাক।
নাক ধোয়া
একটি নাক ধোয়ার ড্রপ বা নেটি পাত্র দিয়ে নাকের ভেতরের অংশ ধুয়ে ফেলুন। যাতে ভেতরে শ্লেষ্মা নরম, আলগা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে মাথা থেকে বেরিয়ে আসে। পার্শ্ববর্তী দোকানে এর জন্য তরল ওষুধ পাওয়া যায়। তবে আপনি বাসায় এক কাপ উষ্ণ ও চোলাই পানিতে এক চিমটি বেকিং সোডা এবং আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। দিনে এক থেকে দুইবার এই তরল দিয়ে নাক ধুয়ে নিতে পারেন।
ভাঁপ নেয়া
গরম ঝরনা বা গরম চায়ের কাপ থেকে হোক, এর বাষ্প শ্লেষ্মাকে পাতলা করতে পারে। এটি নাক থেকে নিষ্কাশন করতেও সহায়তা করে। নাক বন্ধভাব কিংবা যন্ত্রণা থেকে মুক্তির পর এটি কার্যকর একটি উপায়। এ জন্য প্রথমে একটি পাত্রে ফুটন্ত পানি নিন। একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন এবং পাত্রের উপর ঝুঁকে থেকে বাষ্পে শ্বাস নিন। দিনে তিন থেকে চারবার নিতে পারেন উপকার পাওয়ার জন্য।
চিকেন স্যুপ
হালকা গরম গরম ঝোল বা স্যুপ শ্লেষ্মা আলগা করতে সহায়তা করে। এটি বেশ সুস্বাদু হওয়ায় খেতেও কোনো বিরক্তি আসবে না আপনার মাঝে।
ডিভাইস
সাইনাসের ব্যথা এবং কনজেশন রোধে একটি বায়োইলেক্ট্রনিক সাইনাস ডিভাইস পাওয়া যায়। এটি ব্যথা, মাথাব্যথা এবং কনজেশনের মতো প্রদাহের লক্ষণ কমাতে সহায়তার জন্য নার্ভ ফাইভারগুলোয় মাইক্রোকরেন্ট ব্যবহার করে কাজ করে।
পিপারমিন্ট
এর প্রধান সক্রিয় উপাদান হচ্ছে মেন্থল। যা ভেতরে থাকা শ্লেষ্মাকে পাতলা করে দেয়। এ জন্য পিপারমেন্ট চা পানে ভালো উপকার পাওয়া যায়। প্রথমে দোকান থেকে পিপারমিন্ট কিনে ফুটন্ত গরম পানিতে দিন। সঙ্গে ১ চা চামচ শুকনো পুদিনা পাতা। এভাবে দিনে পাঁচবার পান করুন।